ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের নেতৃত্বাধীন সরকার পররাষ্ট্রনীতিতে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। আঞ্চলিক উত্তেজনা কমিয়ে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে ইরান কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন আরাঘচি। খবর আলজাজিরার।
আরাঘচি বলেন, প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে প্রতিবেশী দেশগুলোকে পররাষ্ট্রনীতিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিদ্যমান উত্তেজনা কমানো এবং পারস্পরিক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর পাশাপাশি আঞ্চলিক কূটনীতিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সাম্প্রতিক অস্থিরতার সময়ে সহযোগিতার জন্য প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, কয়েকটি প্রতিবেশী দেশ ইরানে প্রয়োজনীয় পণ্য ও ওষুধ সরবরাহ করেছে। পাশাপাশি এসব দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে আটকে পড়া ইরানিদের দেশে ফেরার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ইরানি বিমানকেও কয়েকটি দেশের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
যুদ্ধের শুরুতে যুদ্ধবিরতির যে আহ্বান এসেছিল, ইরান তা প্রত্যাখ্যান করেছিল বলেও জানান আরাঘচি। তার ভাষায়, ইরান যুদ্ধবিরতি নয়, বরং যুদ্ধের সম্পূর্ণ অবসান চায়।
তিনি বলেন, অতীতে যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে একটি সংঘাত সাময়িকভাবে থেমে যাওয়ার পর কয়েক মাসের ব্যবধানে আবারও তা শুরু হয়েছে। ইরান এমন পরিস্থিতিকে কোনো নিয়ম বা ধারায় পরিণত করতে চায় না।
আমার বাঙলা/ রাব্বি