বগুড়ায় সিফাত নামের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রকে গলাটিপে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইফতার শেষে নিখোঁজের তিন ঘন্টা পর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এছাড়া বেপরোয়া গতির বাসের চাপায় স্বামী-স্ত্রী নিহত হয়েছেন।
রবিবার (০৯ মার্চ) এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় নি। শনিবার গাবতলী পৌরসভার উঞ্চুরকী উত্তরপাড়া পুকুরপাড় থেকে স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহের গলায় হাতের আঙুলের দাগ থাকায় শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহত সিফাত (১৩) উঞ্চুরকী উত্তরপাড়ার হাবিজার রহমানের ছেলে। সে স্থানীয় পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করতো।
স্কুলছাত্রের মা রুলি বেগম দাবি করেন, সিফাতকে গলাটিপে হত্যা করা হয়েছে। তার ছেলে রোজা রেখেছিলো। মসজিদে ইফতার শেষে বাড়িতে ফিরে আবারো বেড়িয়ে যায়। রাত ৯ টায় তৃতীয় লিঙ্গের একজনের বাড়ির কাছে লাশ পাওয়া যায়।
গাবতলী মডেল থানার ওসি আশিক ইকবাল জানান, স্কুলছাত্রের মৃত্যুর রহস্য উন্মোচনে ছায়া তদন্ত চলছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে রবিবার দুপুরে বগুড়া শহরের চারমাথা কল্পনা ফিলিং স্টেশনের পাশে মহাসড়কে বেপরোয়া গতির বাসের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী স্বামী-স্ত্রী নিহত হন। তারা হলেন- শহরের কাটনারপাড়া এলাকার সজল মিয়া (৫০) এবং তার স্ত্রী হোসনে আরা (৪৫)। তাদের মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
কুন্দারহাট হাইওয়ে থানার ওসি মো. মনোয়ারুজ্জামান জানান, সজল ও তার স্ত্রী মোটরসাইকেল যোগে তিনমাথার দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে চারমাথা এলাকায় একটি মাইক্রোবাসের সাথে ধাক্কা লাগে। দুজনই মোটরসাইকেল থেকে সড়কে ছিঁটকে পড়লে বেপরোয়া গতির বাস তাদেরকে চাপা দেয়। এ ব্যাপারে সড়ক পরিবহন আইনে মামলা দায়ের করা হবে।
আমারবাঙলা/ইউকে